স্ক্রীন প্রিন্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা

বিশেষ দ্রস্টব্য : আমাদের এই প্রসেসগুলো সম্পূর্ন প্রিন্টিং ফ্যাক্টরীর নিয়ম . আমরা এই নিয়ম গুলো দ্বারা সবসময় কাজ করে থাকি.কিন্তু লোকাল কাজের কালার ক্যামিক্যাল ভিন্ন রকম হতে পারে . এই বিষয়ে এই ব্লগটি পরতে পারেন .

চলুন শুরু করি স্ক্রিন প্রিন্ট এর বিজনেস

ব্লক প্রিন্ট, বাটিক, টাই-ডাই ইত্যাদির পাশাপাশি বর্তমানে কাপড় ছাপার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে স্ক্রীন প্রিন্ট। স্ক্রীন প্রিন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল শুধু কাপড়ই নয়, কাগজেও ছাপা বা প্রিন্ট করা যায়। স্ক্রীন প্রিন্ট এক ধরণের ছাপার পদ্ধতি। স্ক্রীন প্রিন্ট অনেকদিন আগে থেকেই ছাপার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে এটি খুবই জনপ্রিয়। স্ক্রীন প্রিন্টের পরিচিতি ও কাজের ক্ষেত্র দিন দিন বেড়েই চলছে। স্ক্রীন প্রিন্ট করার সময় একটা স্ক্রীন (যা দেখতে কাপড়ের মতো) ব্যবহার করা হয়। একটা চারকোনা ফ্রেমে স্ক্রীনটি টানটান ও সমান করে লাগিয়ে নিতে হয়। স্ক্রীনটি যে কোন লেখা বা আঁকা ছবি ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে স্ক্রীন ছাপার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে একে স্ক্রীন প্রিন্ট বলে।

বাজার সম্ভাবনা

গেঞ্জি, সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া, প্যাড, কলম, কার্ড, টুপি ইত্যাদি স্ক্রীন প্রিন্ট করে বাজারে বিক্রয়ের জন্য সরবরাহ করা যায়। আবার অন্যের চাহিদা মতো ভিজিটিং কার্ড, বিয়ের কার্ড, নানা অনুষ্ঠানের কার্ড স্ক্রীন প্রিন্ট করে তার বিনিময়ে মজুরি নিয়ে আয় করা সম্ভব। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, পোশাক শিল্প, বুটিক, বাটিক ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে তাদের অর্ডার অনুযায়ী স্ক্রীন প্রিন্ট করে আয় করা সম্ভব।

মূলধন

স্ক্রীন প্রন্টি করার জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়ী জনিসি কনিতে ১৫০০০ থকেে ১৭০০০ টাকার . দোকান ঘর ভাড়া নতিে চাইলে দোকান ঘররে পজশিন ও ভাড়া বাবদ আরও বাড়তি টাকার প্রয়োজন হব

প্রশিক্ষণ

স্ক্রীন প্রিন্ট শুরুর আগে অভিজ্ঞ কারও সহযোগী হিসেবে কিছুদিন কাজ করলে ব্যবসার বিস্তারিত জানা যাবে। এই ব্যবসা করতে হলে কিছুটা লেখাপড়া জানলে ভালো। তাহলে অর্ডার বুঝে নেওয়ার সুবিধা হবে। এছাড়া উদ্যোক্তাকে সৃজনশীল হতে হবে। কারণ নতুন নতুন ধারণা ও ডিজাইন তৈরি করতে না পারলে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান (কারিগরি স্ক্রীন প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ), ” ভর্তি ফর্ম ” সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্ক্রীন প্রিন্টের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থের বিনিময়ে স্ক্রীন প্রিন্টের প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব।

প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান

স্ক্রীন প্রিন্টিং কাজের জন্য যে মালামালগুলো প্রয়োজন তার একটি লিস্ট নিতে দেওয়া হলো ঃ

১.ডিজাইন “আউটপুট অথবা ট্রেসিং পেপার”

২.স্ক্রীন ফ্রেম “ কাঠের অথবা এলুমিনিয়ামের”

৩.আইকা

৪.টি.এক্স.আর

৫.মেস পেপার

৬.এক্সপোসিং এর জন্য এক্সপোজ মেশিন“সূর্যের আলোতে এইটা করা যায়”

৭.বালু অথবা গ্লাসের টুকরা “এক্সপোসিং কাজের সময় লাগবে

৮.স্প্রে পাম্প “ডিজাইন ওয়াশের সময়”

৯.হেন্ড ড্রয়ার “ডিজাইন শুকানোর জন্য”

১০.স্কাবার “প্রিন্ট করার জন্য”

১১.বেসিক কালার “ ১২ ধরণের হয়ে থাকে”

  1. কাল বেসিক কালার
  2. লাল বেসিক কালার
  3. সবুজ বেসিক কালার
  4. কমলা বেসিক কালার
  5. বেগুনি বেসিক কালার
  6. CYAN বেসিক কালার
  7. MAGENTA বেসিক কালার
  8. YELLOW বেসিক কালার
  9. BLACK বেসিক কালার

১২.হোয়াইট পেস্ট

১৩.হোয়াইট ক্লিয়ার

১৪.অক্সাল “প্রিন্ট এর কালার যেন ওয়াশে না উঠে”

১৫.বাইন্ডার “কালার কে পাতলা করার জন্য”

১৬.বালতি,পানি ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য মালামাল

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Cart
Your cart is currently empty.