টিসু ব্যাগ প্রিন্ট প্রজেক্ট সেটআপ

আপনারা যারা টিসু ব্যাগ প্রিন্ট করতে চান তাদের জন্য আজকের আমার এই ব্লগ লেখা টি।
টিস্যু ব্যাগ করতে হলে কি কি মেশিনারিজ লাগবে অল্প টাকায় কি মেশিন এবং বেশি থাকায় কি মেশিন এই জিনিসগুলো সম্পর্কে আপনাদের তেমন ধারনা নেই।
তাই আমি আপনাদের আজকে এই বিষয়ে সম্পূর্ণ ধারণা দিব আপনারা যারা এই টিস্যু ব্যাগের ব্যবসা করতে চাচ্ছেন তারা অবশ্যই আমার এই পুরো লেখাটি পড়বেন। এই ব্যবসাটি করতে হলে আপনাকে প্রথমে জানতে হবে যে কিভাবে টিস্যু ব্যাগ তৈরি করা হয়। এবং যদি আপনি প্রিন্টিং ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে জানতে হবে ইস্যু ব্যাগের উপরে কত ধরনের প্রসেসে প্রিন্ট করা হয়।
টিস্যু ব্যাগের অনেকভাবে প্রিন্ট হয়ে থাকে তো আমি আজকে আপনাদের অল্প থেকে একদম উপর পর্যন্ত প্রিন্টিং ধারণা দিব
একটি টিস্যু ব্যাগ প্রিন্টিং এর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম যেটা করতে হবে ছোট্ট একটি প্রিন্টিং সেটআপ দিতে হবে প্রিন্টিং সেটা দেওয়ার জন্য আপনার যা যা লাগবে তা হচ্ছে একটি এক্সপোজার মেশিন
লাগবে অথবা আপনি যদি এক্সপোজার মেশিন না নিতে চান তাহলে এই কাজটি সূর্যের আলোতে আপনি করতে পারবেন এক্সপোজার মেশিনের দাম হবে 8 থেকে 10 হাজার টাকার মতো আপনার খরচ যাবে আর যদি সূর্যের আলোতে করেন তাহলে 300 থেকে 400 টাকার মধ্যেই আপনার হয়ে যাবে। আর লাগবে
প্রয়োজনীয় প্রেম এবং কাঁচামালে আপনার খরচ হবে দুই থেকে তিন হাজার টাকার মতো আপনি চাইলে একেবারে স্বল্প পরিসরে মাত্র 12 থেকে 13 হাজার টাকার ভিতরে একটি প্রিন্টিং সেটআপ দিতে পারবেন ম্যানুয়ালি।
এটা হচ্ছে আমার মতে টিস্যু ব্যাগ প্রিন্টিং এর সবচেয়ে কম দামি প্রজেক্ট।
এবার আসি এরপরে প্রজেক্ট।
এরপরে আমার কাছে যে প্রজেক্টে রয়েছে এটি হচ্ছে একটি ম্যানুয়ালি 4 কালার স্ক্রিন প্রিন্টিং মেশিন এই মেশিনের মাধ্যমে আপনি টি-শার্ট এবং টিস্যু ব্যাগ দুইটি কাজ করতে পারবেন।
আবার আপনি যদি শুধু টিস্যু বের করতে চান তাহলে এই মেশিনটি আপনি নিলে তেমন প্রোডাকশন পাবেন না বাট দুইটার জন্য যদি হয় তাহলে আপনি মেশিনের সেটআপ কে নিতে পারেন।
এই মেশিনের এটুজেট প্রজেক্টে যা যা লাগবে সব মিলিয়ে আপনার খরচ পড়বে প্রায় 1 লাখ টাকার মতো।
এবার আমি যাই আরেকটু আপার পর্যায়ে আরেকটু আপার পর্যায়ে গেলে থার্ড লেভেলের যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।
সেটা হলো আপনারা যদি প্র বাজেট ভালো থাকে তাহলে একটি দুই কালার ড্রাম প্রিন্টিং মেশিন নিতে পারেন এটার প্রাইজ পড়বে সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকার মতো।
যদি এই মেশিনটি সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়ার সম্ভবনা থাকে তাহলে প্রাইস করবে 2 লাখ 50 থেকে 60 হাজার টাকার মতো।
এটা হচ্ছে সম্পূর্ণ অটোমেটিক একটি প্রসেস।
এবার যদি আপনারা এরকম প্রজেক্ট করতে চান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাদের তিনটা ক্যাটাগরি আমি দেখালাম আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন আমরা এই রিলেটেড প্রজেক্টগুলো সেটআপ করে থাকি তো আজকের ব্লকটি আশাকরি আপনাদের ভাল লেগেছে এরকম নিত্যনতুন ব্লগ পাওয়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Cart
Your cart is currently empty.